প্রতিষ্ঠানের ইতিহাস

image-not-found

মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়া উপজেলাধীন ১০নং হাজিপুর ইউনিয়নের কটারকোনা গ্রামে পার্শ্ববর্তী সালন গ্রাম নিবাসী দানশীল ও শিক্ষানুরাগী ব্যক্তিত্ব প্রয়াত বাবু কৃষ্ণ চন্দ্র দত্ত এ অঞ্চলের সাধরণ মানুষের মধ্যে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দেয়ার লক্ষ্যে এলাকাবাসীর সহযোগিতায় ১৯১৮ খ্রিস্টাব্দে নয়াবাজার কৃষ্ণ চন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করেন। তখন এটি ছিলো এম.ই স্কুল । পরবর্তীতে এটি জুনিয়র স্কুল ও উচ্চ বিদ্যালয়ে উন্নীত হয় ।সুদীর্ঘকাল অতিক্রম করে সময়ের প্রয়োজনে ২০১৩ খ্রিস্টাব্দে এটি উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে উন্নীত হয় ।বর্তমানে স্কুল শাখায় মানবিক , বিজ্ঞান ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগ এবং কলেজ শাখায় মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগ চালু আছে ।

সভাপতির বাণী

image-not-found

নয়াবাজার কৃষ্ণ চন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের নিজস্ব ওয়েবসাইট চালু থাকায় আমি অত্যন্ত খুশি হয়েছি।এ ওয়েবসাইটের মাধ্যমে শিক্ষার্থদের তথ্য অভিভাবকবৃন্দ এবং প্রতিষ্ঠান সম্পর্কিত তথ্য কর্তৃপক্ষ সহজেই জানতে পারবে বলে আমার বিশ্বাস।বর্তমানে আমি লেখাপড়ার মানোন্নয়নে ও এটিকে একটি স্বনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলার জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি।প্রতিষ্ঠানের সুনাম ও খ্যাতি বৃদ্ধি করার জন্য সকলের সহযোগিতা কামনা করছি।
পরিশেষে আমি এ প্রতিষ্ঠানের সাফল্য ও উত্তোরোত্তর উন্নতি কামনা করছি।

অধ্যক্ষের বাণী

image-not-found

শত বছরের প্রাচীন বিদ্যাপীঠ নয়াবাজার কৃষ্ণ চন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ কুলাউড়া উপজেলার দক্ষিন প্রান্তে অবস্থিত বৃহত্তর পল্লী অঞ্চলের ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে শিক্ষার আলো বিতরণ করে আসছে ।এলাকাবাসীর দাবী ও শিক্ষার্থীদের চাহিদার প্রেক্ষিতে তথ্য প্রযুক্তি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে এটি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।বর্তমানে এটি কুলাউড়া উপজেলার অন্যতম শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরিনত হয়েছে এবং এ অর্জন প্রতিষ্ঠানের পরিচালকবৃন্দ ,শিক্ষকবৃন্দ, অভিবাবকবৃন্দ, শিক্ষার্থীদের ও সর্বোপরি এলাকাবাসীর সমন্বিত প্রচেষ্টার ফল।
প্রতিষ্ঠানের সার্বিক ক্ষেত্রে সফলতার জন্য অভিভাবকদের মাঝে এক ধরনের চাহিদা সৃষ্টি হওয়ায় তাঁরা তাঁদের কোমলমতি ছেলেমেয়েদের এ প্রতিষ্ঠানে লেখাপড়া করাতে যথেষ্ট আগ্রহী হয়ে উঠেছেন। আর এ সবকিছুর মূলে রয়েছে প্রতিষ্ঠানের অটুট শৃঙ্খলাবোধ,শিক্ষকগণের প্রচেষ্টা,শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকগণের মধ্যে সমন্বয় সাধন।শিক্ষার্থীরকে উপযুক্তভাবে গড়ে তোলাই আমাদের মূল লক্ষ্য।এ লক্ষ্য বাস্তবায়নের জন্য আমাদের রয়েছে বিরামহীন প্রচেষ্টা ও পরিকল্পনা।
আমি এ প্রতিষ্ঠানের উত্তোরোত্তর উন্নতি কামনা করছি।